Medical Aid Program Cured Md. Hasibul Islam, a Victim of Kidney Stones and Relevant Complexities

Md. Hasibul Islam, a Rickshaw Puller, had been supported with medical aid (financial) for compensating two surgeries in Shyamali Kidney Hospital, Dhaka, in September, 217. His medical exam reports showed that he has a couple of stones in kidney, thus it makes many complications like regular urination. The Manush Manusher Jonyo Hospital justified the case, and took a step to take care of surgery and related expenses during the treatment in Dhaka. Antor Ali, the eldest son of the help recipient Md. Hasibul Islam, is also a recipient of the MMJ Foundation's monthly scholarship since Mar, 2017. He studies in Computer Science and Engineering (CSE) department at Khulna University - a top ranking public university in Bangladesh. The family does not have any property, except their small home in rural area. Mr. Islam used to pull rickshaw regularly, but it got interrupted due to his continuous sickness. Thus, the family was facing a big trouble. The MMJ Foundation is happy to help Mr. Islam's family. It is our duty to serve the society so that they can build their hope for a good life! Thanks to the single sponsor who came forward to help this broken family! The facebook post on this case: https://www.facebook.com/groups/manush.manusher.jonyo.charity/permalink/697147377146719/ The post in Bengali: আরেকটি সাফল্য,

মা নু ষ মা নু ষে র জ ন্য!

ছবিতে যে ভদ্রলোককে দেখছেন উনি সদ্যই দুইটি অপারেশনের মধ্য দিয়ে গেছেন। উনি পেশায় রিকশাচালক, তবে গত প্রায় একবছর রিকশা চালাতে পারছিলেন না। ভদ্রলোকের নিজের ভিটে বাদে আর কিছুই নেই! উনার ছেলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটারে একেবারে সামনের দিকের এক সাবজেক্টে পড়েন। ছেলেটি আমাদের ফাউন্ডেশন থেকে মাসিক বৃত্তি পায়।

ভদ্রলোকের কিডনীতে পাথর ধরা পড়েছে, তাই মূত্রনালীও সরু হয়ে গিয়েছিল। ঢাকার শ্যামলী হাসপাতালে গত মাসে দুইটি অপারেশন শেষে উনি এখন সুস্থতার পথে। উনার চিকিৎসা বাবদ খরচ হলো ৬৫,০০০ টাকা। এজন্য ফেসবুকে সাহায্য চাওয়া হয়নি। কারণ পেশায় ডাক্তার আমাদের নিয়মিত এক স্পন্সরকে এই কেসের প্রথম অপারেশন এর রিপোর্ট যাচাই করতে দেয়ার পর উনি নিজেই স্পনসর করতে আগ্রহী হয়েছিলেন।

ছেলেটার ক্লাশের রেজাল্ট তেমন ভালো না হওয়ার পরেও অনেক ঘাঁটাঘাঁটির পর ছেলেটাকে বৃত্তি দেয়ার জন্য মনোনীত করা হয়েছিল। ঘাঁটাঘাঁটির এক পর্যায়ে তার বিভাগের এক প্রফেসরসহ কয়েকজনের থেকে জানতে পারলাম, তার বাবার অসুস্থতার কারণে সে ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারে না। নিয়মিত ৩/৪ টা টিউশনি করে বাবাকে কোনোরকমে বাঁচিয়ে রেখেছিল। অনেক চিকিৎসা করিয়েছে, কোনো লাভ হয় নাই। অপারেশনে অনেক টাকার দরকার, যেটা তাদের পক্ষে যোগাড় করা একেবারে অসম্ভব।

ছেলেটার ছাত্রজীবন পঙ্গু হয়ে পড়তেছিল, একেবারে লেখাপড়া ছেড়ে দেয়ার অপক্রম হয়ে যায় একসময়। তাকে জোর করে ধরে এনে বৃত্তি দেয়ার পর দেখলাম, তার বাবাকে বাঁচানোর জন্য সে তখনো রাত-দিন কষ্ট করে যাচ্ছে, কিন্তু উপায় মিলছে না। একসময় আমি বাধ্য হলাম ওর বাবার ব্যাপারে আরো অনেক খোঁজখবর নেয়ার জন্য। শেষমেশ দেখলাম মাত্র ৬০-৬৫ হাজার টাকার জন্য তাদের পুরো পরিবার বিলীন হওয়ার পথে!

এদেরকে বাঁচানোর জন্যই আমাদের মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন​। একটুখানি সহায়তা কত পরিবর্তন আনতে পারে তার উদাহরণ!

প্রথম ছবিতে সে ছেলে এবং তার পরিবারের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বার্তা।

#চিকিতসা_সহায়তা #সংগ্রাম #সাফল্য


Featured Posts
Recent Posts
Archive